টাঙ্গাইলে ওয়ালটনের কিস্তি ক্রেতার মৃত্যু সহায়তার টাকা পেলেন দুই মেয়ে
আস্থা ডেক্স : দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্যের ব্র্যান্ড ওয়ালটন গ্রুপের কিস্তিতে পন্য কেনা ক্রেতা সুরক্ষায় দেড় লাখ টাকা পেলেন মৃত শফিকুল ইসলাম (৪৮)এর দুই মেয়ে। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে পূর্ব আদালতপাড়াস্থ বড়কালিবাড়ী পুকুর পাড়ে ওয়ালটন প্লাজা-১ এর উদ্যোগে ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতিতে মৃত্যু সহায়তার নগদ দেড় লাখ টাকা গ্রহণ করেন মরহুমের দুই মেয়ে নবনী ও লিভা। ওয়ালটন গ্রুপের ক্রেতা মৃত্যু সহায়তার টাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মজলুম জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দৌহিত্র ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহ্ সালেহ্ মোহাম্মদ শাফী ইথেন, ১৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. সুজাউল করিম মানিক,ওয়ালটন গ্রুপের চিপ ডিভিশনাল অফিসার ডিভিশন- ২ মো. শাহাদত হোসেন, ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার ডিভিশন- ২ মো. ওবায়দুর রহমান তালুকদার , প্রজেক্ট ইনচার্জ নাহিদ, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার টাঙ্গাইল এরিয়া এস.এম হাসানুল আউয়াল,রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার টাঙ্গাইল এরিয়া মো. রেজাউল করিম,ওয়ালটন প্লাজা আদালত রোড টাঙ্গাইল এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার অনুপ কুমার সাহা প্রমুখ। সহায়তা গ্রহণকালে মরহুম শফিকুল ইসলামের শ্বশুর ও ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মীর ওয়াজেদ হোসেন লিউ, মরহুমের বন্ধু ও বিশিষ্ট ফার্নিচার ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ ধর, মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সুমন ঘোষসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২২সালের ৫ ডিসেম্বর রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে “ওয়ালটন প্লাজা কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা” নীতিমালা উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। এ নীতি হলো একটি মানবিক আর্থিক নিরাপত্তা কার্যক্রম। এই নীতির মূল সুবিধাগুলো হলো বাকি কিস্তি মওকুফ এবং পরিবারকে আর্থিক সহায়তা।কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় ক্রেতার আকস্মিক মৃত্যু হলে পণ্যের বাকি থাকা সমস্ত কিস্তি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়। বকেয়া কিস্তি বা পাওনা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট মূল্য বা নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তা মৃত ক্রেতার পরিবারকে প্রদান করা হয়।







